হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (হাবিপ্রবি) গবেষণা পদ্ধতি, গবেষণাপত্র লেখার কৌশল এবং অটোমেটিক মাইক্রোবায়োলজিক্যাল প্রযুক্তি নিয়ে সেমিনার ও কীনোট টক অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (৩ আগস্ট) জাতীয় কবি কাজী নজরম্নল ইসলাম ভবনের দ্বিতীয় তলার ভার্চুয়াল কনফারেন্স রম্নমে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানের উদ্যোগ নেয় ওঊঊঊ ঈড়সঢ়ঁঃবৎ ঝড়পরবঃু ঐঝঞট ঝঃঁফবহঃ ইৎধহপয ঈযধঢ়ঃবৎ।
প্রথম কীনোট বক্তব্যে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সিনিয়র অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জাহিদুর রহমান 'গরপৎড়ইরড়অঁঃড়সধঃরড়হ: অঁঃড়সধঃবফ গরপৎড়নরড়ষড়মরপধষ গরপৎড়ঢ়ষধঃব জবধফরহম ঝুংঃবস' শীর্ষক আলোচনায় মাইক্রোবায়োলজিক্যাল তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে পাঠ ও বিশেস্নষণের প্রযুক্তি তুলে ধরেন।
দ্বিতীয় কীনোট বক্তব্যে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব ইনফরমেশন টেকনোলজির অধ্যাপক ও ইউনিভার্সিটি অব ফ্রন্টিয়ার টেকনোলজির সাবেক উপাচার্য ড. মোহাম্মদ আবু ইউসুফ 'ঐড়ি :ড় উড় জবংবধৎপয ধহফ ডৎরঃব ধ জবংবধৎপয চধঢ়বৎ' শীর্ষক আলোচনায় গবেষণার বিষয় নির্বাচন, পরিকল্পনা, তথ্য সংগ্রহ ও বিশেস্নষণ এবং মানসম্মত গবেষণাপত্র লেখার ধাপসমূহ ব্যাখ্যা করেন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মো. জাহিদুল ইসলাম এবং হাবিপ্রবির অধ্যাপক ড. মো. দেলোয়ার হোসেন। সভাপতিত্ব করেন হাবিপ্রবির সহযোগী অধ্যাপক ড. তানজিনা সুলতানা।
সেমিনারে অংশগ্রহণকারীরা গবেষণা পরিচালনা ও গবেষণাপত্র লেখার মৌলিক কৌশল সম্পর্কে ধারণা লাভের পাশাপাশি কম্পিউটার বিজ্ঞান ও মাইক্রোবায়োলজির সমন্বয়ে উদ্ভাবিত স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তির ব্যবহার সম্পর্কে জানার সুযোগ পান। আয়োজকেরা আশা প্রকাশ করেন, এ আয়োজন তরম্নণ শিক্ষার্থীদের গবেষণায় আগ্রহী করে তুলবে এবং প্রযুক্তিনির্ভর উদ্ভাবনী চিন্ত্মার বিকাশে গুরম্নত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।