রম্নপালি মৎস্যে স্বনির্ভর দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ" শীর্ষক প্রতিপাদ্যকে ধারণ করে হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (হাবিপ্রবি) মাৎস্য বিজ্ঞান অনুষদের আয়োজনে জাতীয় মৎস্য পÿ-২০২৬ উদযাপিত হয়েছে।
এ উপলক্ষ্যে মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সম্মুখে ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. এনাম উল্যা -এর নেতৃত্বে একটি বর্ণাঢ্যর্ যালি বের হয়।র্ যালিতে মাৎস্য বিজ্ঞান অনুষদের শিক্ষার্থীরা দেশীয় ঐতিহ্যবাহী সাজে সজ্জিত হয়ে এবং ব্যানার-ফেস্টুন হাতে নিয়ে অংশগ্রহণ করেন।র্ যালিটি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে প্রশাসনিক ভবনের সম্মুখে এসে শেষ হয়।র্ যালি শেষে সেখানে মাৎস্য বিজ্ঞান অনুষদের শিÿার্থীরা জনসচেতনতামূলক একটি মৎস্য নাটিকা মঞ্চস্থ করে। অনুষ্ঠান সমূহে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. এনাম উল্যা এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে প্রোভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো.নওশের ওয়ান এবং ট্রেজারার প্রফেসর ড. এম. মো. মাসুদুল হাসান খান। এছাড়াও মাৎস্য বিজ্ঞান অনুষদের ডীন প্রফেসর মো. ফরিদুলস্নাহ, সংশিস্নষ্ট অনুষদের বিভাগীয় চেয়ারম্যানবৃন্দ, ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর প্রফেসর ড. আবুল কালাম, অনুষদীয় শিÿক, শিÿার্থী,কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
র্
যালী পরবর্তী প্রধান অতিথির বক্তব্যে ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো. এনাম উল্যা সকলের উদ্দেশ্যে বলেন, জাতীয় মৎস্য পÿ-২০২৬ উপলক্ষে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের মাৎস্য বিজ্ঞান অনুষদ কর্তৃক আয়োজিত আজকের এই বর্ণিল অনুষ্ঠানের আয়োজনের জন্য আমি সংশিস্নষ্ট সকলকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। বাংলাদেশের অর্থনীতি, পুষ্টি ও খাদ্য নিরাপত্তায় মৎস্য খাতের অবদান অত্যন্ত্ম গুরম্নত্বপূর্ণ। আমাদের দৈনন্দিন খাদ্য তালিকায় প্রাণিজ আমিষের অন্যতম প্রধান উৎস মাছ; যার ৮০ শতাংশ মাছের মাধ্যমে পূরণ করতে সÿম হচ্ছি। একই সঙ্গে দেশের বিপুল জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থান সৃষ্টি, গ্রামীণ অর্থনীতির বিকাশ এবং মানুষের জীবন যাত্রার মানোন্নয়নে মৎস্য খাত গুরম্নত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। তাই মৎস্য উৎপাদনে আধুনিক প্রযুক্তির প্রয়োগ, মৎস্য সম্পদের টেকসই উন্নয়ন ও সংরÿণে আমাদের এগিয়ে আসতে হবে। এÿেত্রে হাবিপ্রবির গ্র্যাজুয়েটদের দায়িত্ব অত্যন্ত্ম গুরম্নত্বপূর্ণ। গবেষণা, উদ্ভাবন ও প্রযুক্তি সম্প্রসারণের মাধ্যমে মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি, রোগ ব্যবস্থাপনা, উন্নতজাত উদ্ভাবন, খাদ্য ব্যবস্থাপনা এবং জলজ পরিবেশ সংরক্ষণে আমাদের শিক্ষক-গবেষকরা আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণালব্ধ জ্ঞান যাতে মৎস্য চাষি ও উদ্যোক্তাদের কাছে পৌঁছে যায়, সে বিষয়েও আমাদের গুরম্নত্ব দিতে হবে। তিনি আরও বলেন, আমি আশা করি জাতীয় মৎস্য পÿের এই আয়োজন শুধু আনুষ্ঠানিকতার মধ্যে সীমাবদ্ধনা রেখে মাঠপর্যায়ে সরাসরি সম্পৃক্ত হওযার মাধ্যমে মৎস্য সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা, উৎপাদন বৃদ্ধি এবং নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্য নিশ্চিত করার লÿ্যে আমাদের প্রয়োজনীয় পদÿেপ গ্রহণ করতে হবে।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।
আপনার মন্তব্য লিখুন