স্থানভিত্তিক ধানের জাত ও প্রযুক্তি উদ্ভাবন প্রকল্পের আওতায় ৪৩ কৃষক পেলেন সার ও ফলজ-বনজ-ঔষধি গাছ
দিনাজপুরে ‘নতুন ৬টি আঞ্চলিক কার্যালয় স্থাপনের মাধ্যমে স্থানভিত্তিক ধানের জাত ও প্রযুক্তি উদ্ভাবন এবং বিদ্যমান গবেষণাগার উন্নয়ন (এলএসটিডি)’ প্রকল্পের অর্থায়নে কৃষক পর্যায়ে উপকরণ বিতরণ ও গাছ বিতরণ করা হয়েছে।
বুধবার (১৯ আগস্ট) দিনাজপুরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রয়োগিক পরীক্ষণ ও মূল্যায়নের জন্য ৪৩ জন কৃষকের মাঝে ইউরিয়া, ডিএপি ও এমওপি সার বিতরণ করা হয়। এসব উপকরণ ৪৩ একর জমিতে চাষাবাদের জন্য প্রদান করা হয়েছে। পাশাপাশি প্রত্যেক কৃষককে তিনটি করে মোট ১২৯টি ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এলএসটিডি প্রকল্প, বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি), গাজীপুরের প্রকল্প পরিচালক ড. মো. আনোয়ার হোসেন।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দিনাজপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মোঃ জানে আলম। বিশেষ অতিথি ছিলেন ব্রি আঞ্চলিক কার্যালয়, দিনাজপুরের এসএসও ও প্রধান ড. মোছা: সেলিমা জাহান, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মনজুর মোর্শেদ এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি)।
অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন ব্রি আঞ্চলিক কার্যালয়, দিনাজপুরের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা সৈয়দ জাহিদ হাসান।
সৈয়দ জাহিদ হাসান জানান, এলএসটিডি প্রকল্পের আওতায় কৃষকদের নিয়ে প্রয়োগিক পরীক্ষণ ও মূল্যায়ন কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে পাঁচ ধরনের আমন ধানের জাত নিয়ে মাঠপর্যায়ে কাজ করা হবে। কৃষকদের প্রয়োজনীয় সার ও অন্যান্য উপকরণ সরবরাহের মাধ্যমে এসব জাতের কার্যকারিতা ও ফলন মূল্যায়ন করা হবে।
তিনি বলেন, স্থানভিত্তিক উপযোগী ধানের জাত ও আধুনিক প্রযুক্তি উদ্ভাবনের মাধ্যমে কৃষকদের উৎপাদন বাড়ানো এবং কৃষিকে আরও লাভজনক করার লক্ষ্যেই এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
অনুষ্ঠানে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তা, কৃষক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।
আপনার মন্তব্য লিখুন