আড়াইশত বছরের পুরানো ঐতিহ্য রাজ পরিবারের প্রথা অনুযায়ী ধর্মীয় ভাব গাম্ভীর্য উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে শ্রী শ্রী কান্তজীউ বিগ্রহ নদীপথে দিনাজপুরের রাজবাড়ী মন্দিরের উদেশ্যে যাত্রা করে। আজ বুধবার সকাল সাড়ে ৭টায় হাজারো ভক্তের পূজা অর্জনার মধ্য দিয়ে ঠাকুরকে (বিগ্রহ) বিদায় জানায়। ২৪ কিলোমিটার নদী পথে শতাধিক ঘাটে কান্তজীউ বিগ্রহ রাধা-কৃষ্ণ প্রতিমাকে ঢেপা নদীর দুই তীরে অগনিত হিন্দু সম্প্রদায়ের নারী পুরুষ ভক্ত ফল-ফলাদি উৎসর্গ করেন। প্রসাদ প্রদানের মধ্য দিয়ে মনোবাসনা পুরন এবং পরিবারের মঙ্গল কামানা করেন। কান্তজীউ যাত্রা পথে নেওয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা।
আজ বুধবার সকাল ৭টায় পূজা অর্জনা ও ভক্তদের কীর্তন সহকারে শ্রী শ্রী কান্তজীউ বিগ্রহ (রাধা-কৃষ্ণ প্রতিমা) দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার কান্তনগর মন্দির হতে ঢেপা নদী পথে যাত্রা শুর করে। এ সময় হাজার হাজার ভক্ত ও দর্শনার্থী ফল-ফলাদি নিয়ে নদীর দু’তীরে অবস্থান নেয়। তারা এসব ফল-ফলাদি কান্তজী বিগ্রহকে উৎসর্গ করে। প্রায় ৪০ টি নৌকার বহর নিয়ে কান্তজী বিগ্রহটি ৮ ঘন্টা যাত্রা শেষে সন্ধ্যায় দিনাজপুরের শহরে রাজাপারা ঘাটে পৌছুবে। সন্ধ্যায় জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার শ্রী শ্রী কান্তজীউ বিগ্রহ স্বাগত জানাবেন। এখান থেকে রাতে শোভাযাত্রা সহকারে কান্তজীউ বিগ্রহ রাজবাড়ী মন্দিরে নিয়ে যাওয়া হবে। ভক্ত ও পূর্ণার্থীরা জানান, মনের বাসনা পুরন করতে এবং তাদের পরিবারের মঙ্গল কামনায় প্রতিবছর তারা এখানে আসে।
প্রতিবছর জন্মাষ্টমীর দুই দিন আগে মহারাজার প্রথা অনুযায়ী কান্তজীউ বিগ্রহ নদীপথে দিনাজপুর রাজবাড়ী মন্দিরে আনা হয়। ৩মাস পরে রাস পুর্নিমায় আবার কান্তনগর মন্দিরে ফিরে যাবে।
আয়োজকরা জানালেন রাজ বংশের প্রথা অনুযায়ী ২৪ কিলোমিটার যাত্রা পথে অগনিত ভক্ত বৃন্দ ফল ফলাদি উৎসর্গ করার মধ্য দিয়ে কান্তজীউকে বরন করে নেওয়া হবে।
হাজারো ভক্তের সম্মিলন ঘটায় এখানে নেয়া হয়েছে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা জানালেন পুলিশের এ কর্মকতা।
ভগবানের আত্বতুষ্টি লাভের আসায় ধর্ম বর্ন নির্বিশেষে হাজার হাজার মানুষের সম্মিলন ঘটেছে এই কান্তজীউকে বিদায় জানাতে।
প্রতি বছর কান্তজীউ বিগ্রহ বিদায়ের মধ্য দিয়ে মনোবাসনা পুরন এবং বিশ্বে যাতে শান্তি প্রতিষ্ঠিত হোক এ কামনা করে আগত ভক্ত ও পূর্ণার্থীরা।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।
আপনার মন্তব্য লিখুন