বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখের মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দের এ দিনে যশোর জেলার গোয়ালহাটি গ্রামে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সঙ্গে সম্মুখযুদ্ধে শাহাদাতবরণ করেন তিনি।
এই দিনে জাতি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছে এই অকুতোভয় বীরকে, যিনি জীবন উৎসর্গ করে রচনা করেছিলেন মুক্তিযুদ্ধের এক অবিস্মরণীয় অধ্যায়। তার বীরত্ব, আত্মত্যাগ ও দেশপ্রেম চিরকাল এ দেশের মানুষের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।
শনিবার সকালে নড়াইল সদর উপজেলার ‘নূর মোহাম্মদ নগর’ (সাবেক মহিষখোলা)-এ বীরশ্রেষ্ঠের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে দিনব্যাপী কর্মসূচির সূচনা হয়। আয়োজিত কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে বীরশ্রেষ্ঠের স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ, সশস্ত্র সালাম ও গার্ড অব অনার প্রদান, কোরআনখানি, বিশেষ দোয়া ও মিলাদ মাহফিল, আলোচনা সভা এবং স্থানীয় বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা।
মুক্তিযুদ্ধে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে ‘বীরশ্রেষ্ঠথ খেতাবে ভূষিত করা হয়। বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ ল্যান্সনায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ ১৯৩৬ খ্রিষ্টাব্দের ২৬ ফেব্রুয়ারি নড়াইল সদর উপজেলার চণ্ডীবরপুর ইউনিয়নের মহিষখোলা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবার নাম মোহাম্মদ আমানত শেখ ও মা জেন্নাতুন্নেছা, মতান্তরে জেন্নাতা খানম। ১৯৫৯ খ্রিষ্টাব্দের ২৬ ফেব্রুয়ারি পূর্ব পাকিস্তান রাইফেলসে (ইপিআর) যোগদান করেন নূর মোহাম্মদ শেখ। ১৯৭১ এ যশোর অঞ্চল নিয়ে গঠিত ৮ স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালে ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দের ৫ সেপ্টেম্বর যশোর জেলার গোয়ালহাটি ও ছুটিপুরে পাকিস্তানি বাহিনীর সঙ্গে সম্মুখযুদ্ধে তিন সঙ্গীকে বাঁচাতে গিয়ে তিনি নিজের জীবন উৎসর্গ করার অনন্য নজির স্থাপন করেন। নূর মোহাম্মদ যশোরের শার্শা উপজেলার কাশিপুর সীমান্তের বয়রা অঞ্চলে পাক হানাদারদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে দেশ শত্রুমুক্ত করেন। তাকে শার্শা উপজেলার কাশিপুর গ্রামে দাফন করা হয়।স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালে ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দের ৫ সেপ্টেম্বর যশোর জেলার গোয়ালহাটি ও ছুটিপুরে পাকিস্তানি বাহিনীর সঙ্গে সম্মুখযুদ্ধে তিন সঙ্গীকে বাঁচাতে গিয়ে তিনি নিজের জীবন উৎসর্গ করার অনন্য নজির স্থাপন করেন। নূর মোহাম্মদ যশোরের শার্শা উপজেলার কাশিপুর সীমান্তের বয়রা অঞ্চলে পাক হানাদারদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে দেশ শত্রুমুক্ত করেন। তাকে শার্শা উপজেলার কাশিপুর গ্রামে দাফন করা হয়।নম্বর সেক্টরে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন।
স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালে ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দের ৫ সেপ্টেম্বর যশোর জেলার গোয়ালহাটি ও ছুটিপুরে পাকিস্তানি বাহিনীর সঙ্গে সম্মুখযুদ্ধে তিন সঙ্গীকে বাঁচাতে গিয়ে তিনি নিজের জীবন উৎসর্গ করার অনন্য নজির স্থাপন করেন। নূর মোহাম্মদ যশোরের শার্শা উপজেলার কাশিপুর সীমান্তের বয়রা অঞ্চলে পাক হানাদারদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে দেশ শত্রুমুক্ত করেন। তাকে শার্শা উপজেলার কাশিপুর গ্রামে দাফন করা হয়।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।
আপনার মন্তব্য লিখুন