দিনাজপুর সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ রুহুল আমিন শরিফ বলেছেন, সরকারি সেবা প্রদানকারী সংস্থার সাথে সেবা গ্রহীতা নারীদের সচেতন করতে হবে। সেবা প্রদানকারী ও সেবা গ্রহীতার মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধি করতে হলে জিও-এনজিও সকলকে একসাথে কাজ করতে হবে। নারীর ক্ষমতায়নের মাধ্যমে নারীর নেতৃত্ব বিকাশ ঘটাতে হবে। নারী ক্লাবের সদস্যদের সামাজিক সুরক্ষা আইনের আওতায় আনতে হবে। তবে কারও মাধ্যমে নয়, নিজেদেরকেই তা বাস্তবায়ন করতে হবে।
১৬ সেপ্টেম্বর বুধবার সদর উপজেলা পরিষদ হলরুমে পল্লীশ্রী’র আয়োজনে এবং মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন এর সহযোগিতায় নারী ক্লাবের সদস্যদের নিয়ে উপজেলা পর্যায়ে সেবা প্রদানকারী সংস্থার সাথে সেবা গ্রহীতা নারীদের সংলাপ অনুষ্ঠানে তিনি প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথাগুলো বলেন। পল্লীশ্রী’র এইচআর ইনচার্জ ও প্রকল্প পরিচালক শামিমা বেগম পপি’র সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা সমাজসেবা অফিসার গোলাম আজম, উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা বিষ্ণু পদ রায়, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের প্রোগ্রাম অফিসার রিতা মন্ডল, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মোছাঃ শাহিনা বেগম ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আবুল কালাম আজাদ। নারী ক্লাবের সদস্য ফিরোজা বেগম, আমিছা, সিবানী উড়াও, প্রতিমা রাণী, মেরি, রোজি সরকারি সেবা প্রাপ্তির ক্ষেত্রে যে সমস্ত সুযোগ-সুবিধা রয়েছে তা জানতে চেয়ে বিভিন্ন ধরণের প্রশ্ন করেন সেবা প্রদানকারীদের নিকট। সঞ্চালকের দায়িত্ব পালন করেন প্রকল্প সমন্বয়কারী রওনক আরা হক নিপা। সভাপতির বক্তব্যে শামীমা বেগম পপি বলেন, প্রান্তিক নারীদের অধিকার রক্ষা তাদের অধিকার আদায়ের জন্য সুশীল সমাজের সংগঠন এবং সরকারি কতর্ৃপক্ষেকে শক্তিশালী করাই এই প্রকল্পের লক্ষ্য। দিনাজপুর সদর পৌরসভা, ১নং চেহেলগাজী ইউনিয়ন, ৩নং ফাজিলপুর ইউনিয়ন, ৪নং শেখপুরা ইউনিয়ন এই ৪টি স্থানে মোট নারী ক্লাব ১২০টি রয়েছে। নারী ক্লাবের মোট সদস্য রয়েছেন ৩৬শ সহ সরাসরি ৪৫শ বেনিফিসারির সমন্বয়ে প্রকল্পের কাজ বাস্তবায়ন হচ্ছে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে নারীর অধিকার, বাল্য বিবাহ প্রতিরোধ, সহিংসতা প্রতিরোধ ও আইন বিষয়ে সেবা গ্রহণে নির্ভয়ে ও ন্যায্য বিচার প্রাপ্তির জন্য সদস্যদের স্বচ্চার করা হচ্ছে।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।
আপনার মন্তব্য লিখুন