দিনাজপুর শহরের ঐতিহ্যবাহী বালুবাড়ীস্থ মহারাজা গিরিজানাথ উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণ ও আনন্দঘন পরিবেশের মধ্য দিয়ে সম্পন্ন হলো ১১তম ৭নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট। ১৮ সেপ্টেম্বর শুক্রবার ২০২৬ ফাইনাল খেলায় চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেন জয় স্পোর্টিং ক্লাব, পীরগঞ্জ, রংপুর। রানার্স আপ হয় দিপু ট্রেডার্স, ঠাকুরগঁাও। ১-০ গোলে জয়লাভ করে জয় স্পোর্টিং ক্লাব। একমাত্র গোলটি করেন জয় স্পোর্টিং ক্লাব এর জোবায়ের।
খেলা শেষে উভয়দলকে পুরস্কার তুলে দেন প্রধান অতিথি দিনাজপুর সদর-৩ আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম। টুর্নামেন্টের প্রধান আয়োজক ও সার্বিক সহযোগিতায় ছিলেন ৭নং ওয়ার্ড এর সাবেক কাউন্সিলর মোঃ রেহাতুল ইসলাম খোকা।
টুর্নামেন্ট জুড়ে ক্রীড়ামোদী দর্শকদের ব্যাপক উপস্থিতি ও টানটান উত্তেজনার মধ্য দিয়ে সফলভাবে পর্দা নামলো স্থানীয় ফুটবলের এই জনপ্রিয় আসরের। ফাইনাল নিশ্চিত করা দুই প্রতিদ্বন্দ্বী দলের শক্তিমত্তা ও আক্রমণাত্মক ফুটবলের নৈপুণ্যে নির্ধারিত সময়ের খেলাটি ছিল অত্যন্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ। খেলার শুরু থেকেই উভয় দল একাধিক সুযোগ তৈরি করে দর্শকদের উল্লাসে মাতায়। তীব্র লড়াই শেষে নির্ধারিত সময়ে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করে জয় স্পোর্টিং ক্লাব। পুরস্কার হিসেবে চ্যাম্পিয়ন দল ১ লক্ষ টাকা ও ট্রফিসহ মেডেল এবং রানার্স আপ দল ৫০ হাজার টাকা ও ট্রফি সহ মেডেল দেয়া হয়।
এর আগে ফাইনাল খেলার পুরস্কার বিতরন ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে দিনাজপুর ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি গোলাম নবী দুলাল এর সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন দিনাজপুর জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি হাসানুজ্জামান উজ্জল, দিনাজপুর চাল কল মালিক গ্রুপের সভাপতি নুরুজ্জামান সরকার, দিনাজপুর চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাষ্ট্রির পরিচালক মোস্তফা কামাল মিলন, জেলা ছাত্রদলের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোঃ রুবেল ইসলাম, ভারোত্তলন ফেডারেশনের সদস্য মোঃ রেজাউর রহমান হিরু, ৭নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট কমিটির আহবায়ক সৈয়দ সপু আহমেদ, সদস্য সচিব হুমায়ূন কবির আপেল।
প্রধান অতিথি বলেন, যুবসমাজকে মাদক ও অপসংস্কৃতি থেকে দূরে রাখতে এবং সুস্থ বিনোদনের মাধ্যম হিসেবে নিয়মিত এমন ফুটবল টুর্নামেন্টের আয়োজন অপরিসীম ভূমিকা পালন করে। মাদক মুক্ত থাকতে হলে খেলাধুলার বিকল্প নেই।।
টুর্ণামেন্টের ধারাভাস্যকার ছিলেন মোঃ রফিক। ফাইনাল খেলার রেফারি ছিলেন বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের ১ম শ্রেণীর রেফারি গোবিন্দ চন্দ্র রায়, সহকারী রেফারি ছিলেন কৃষ্ণ চাকমা ও ফরহাদ চৌধুরী।
টুর্নামেন্টের সফল আয়োজন নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন স্থানীয় ক্রীড়াপ্রেমী ও আয়োজক কমিটি। ফাইনাল ম্যাচটি উপভোগ করতে বিপুল সংখ্যক নারী-পুরুষ ও ফুটবলপ্রেমী দর্শক মাঠে উপস্থিত হয়ে খেলোয়াড়দের করতালির মাধ্যমে উৎসাহিত করেন।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।
আপনার মন্তব্য লিখুন