বিষাক্ত সাপের কামড়ে আক্রান্ত ৫০ বছর বয়সী তারা বানু চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন। গত ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে সাপের কামড়ে আক্রান্ত হয়ে তিনি দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হন। সেখানে চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে এন্টিভেনামসহ প্রয়োজনীয় ওষুধ ও চিকিৎসা দেওয়া হয়। চিকিৎসায় সুস্থ হয়ে সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র নিয়ে বাড়ি ফিরে যান তিনি।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, তারা বানু বিরামপুর উপজেলার কাটলা ইউনিয়নের খিয়ার মাহমুদ এলাকার বাসিন্দা। সাপের কামড়ের পর তাকে দ্রুত বিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসা হয়। হাসপাতালে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও চিকিৎসা ব্যবস্থাপনার পাশাপাশি চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী এন্টিভেনামসহ অন্যান্য ওষুধ প্রয়োগ করা হয়। পরবর্তীতে তার শারীরিক অবস্থার উন্নতি হলে চিকিৎসকরা তাকে পর্যবেক্ষণে রাখেন এবং সুস্থতা নিশ্চিত হওয়ার পর ছাড়পত্র দেন।
এ ঘটনায় স্থানীয় পর্যায়ে সাপের কামড়ের মতো জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত চিকিৎসাসেবা পাওয়ার বিষয়টি আবারও সামনে এসেছে। বিশেষ করে বিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সাপের কামড়ে আক্রান্ত রোগীদের জন্য এন্টিভেনামসহ প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা দেওয়ার সুযোগ থাকায় প্রত্যন্ত এলাকার মানুষের জন্য এটি গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্যসেবা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
বিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সুব্রত কুমার সেনের বিশেষ নির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে জরুরি রোগীদের চিকিৎসাসেবা কার্যক্রমে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। সাপের কামড়ের মতো সময়-সংবেদনশীল পরিস্থিতিতে রোগীকে দ্রুত হাসপাতালে আনা, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিশ্চিত করা এবং চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোগীর শারীরিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
এ বিষয়ে দিনাজপুরের ভারপ্রাপ্ত সিভিল সার্জন ডা. গোলাম রসূল রাখী এবং বিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. সুব্রত কুমার সেনের তত্ত্বাবধান ও নজরদারিতে স্থানীয় পর্যায়ে জরুরি স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম আরও কার্যকরভাবে পরিচালিত হচ্ছে বলে হাসপাতাল-সংশ্লিষ্টরা জানান।
তারা বানুর সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে যাওয়ার ঘটনাটি সাপের কামড়ে আক্রান্ত রোগীদের দ্রুত হাসপাতালে আনা এবং সময়মতো চিকিৎসা গ্রহণের গুরুত্বের একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হয়ে উঠেছে। বিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এ ধরনের জরুরি চিকিৎসাসেবা অব্যাহত থাকায় উপজেলার সাধারণ মানুষের জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ও প্রশংসনীয় স্বাস্থ্যসেবা উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।
আপনার মন্তব্য লিখুন