রংপুরে প্রিপেইড মিটার কার্যক্রম বাতিল এবং লাগানো মিটারগুলো অপসারণের দাবি জানিয়েছে রংপুর জেলা বিদ্যুৎ গ্রাহক ফোরাম।
আগামী ১৫ দিনের মধ্যে প্রিপেইড মিটার কার্যক্রম বাতিল এবং লাগানো মিটারগুলো অপসারণ করা না হলে হরতাল-অবরোধের হুমকি দিয়েছে তারা।
বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রংপুর মহানগরীর খামার মোড়ে নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই কোম্পানি (নেসকো) কার্যালয় ঘেরাও ও গণস্মারকলিপি দেওয়া কর্মসূচি থেকে এ হুমকি দেওয়া হয়।
এর আগে নগরীর শাপলা চত্বর থেকে একটি এবং লালবাগ থেকে আরেকটি বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে নেসকো কার্যালয়ের প্রধান ফটক ঘেরাও করেন তারা। সেখানে দুপুর ১২টা থেকে ১টা পর্যন্ত বিক্ষোভ ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় বক্তব্য দেন বাসদ (মার্কসবাদী) জেলা আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন বাবলু, সদস্যসচিব আহসানুল আরেফিন তিতু, জেলা বিদ্যুৎ গ্রাহক ফোরামের আহ্বায়ক দেলোয়ার হোসেন, মির্জা বাবর বাবলু প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, ‘আওয়ামী আমলের ফ্যাসিবাদী সরকার প্রিপেইড মিটার প্রকল্প থেকে এক লাখ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। কিন্তু জুলাই আন্দোলনের পরেও সেই শোষণের প্রিপেইড মিটার এখনো বহাল আছে। এতে গ্রাহকদের তিন থেকে চার গুণ বিল বেশি আসছে। শোষণ ও হয়রানিতে পড়েছেন গ্রাহকরা। দীর্ঘদিন থেকে আন্দোলন করার পরেও বিদ্যুৎ গ্রাহকদের প্রিপেইড মিটার লাগাতে বাধ্য করছেন নেসকো কর্মকর্তারা।’
সমাবেশে জেলা বিদ্যুৎ গ্রাহক ফোরামের সদস্যসচিব আহসানুল আরেফিন তিতু বলেন, ‘আগামী ১৫ দিনের মধ্যে প্রিপেইড মিটার প্রকল্প বাতিল এবং এরই মধ্যে লাগানো প্রিপেইড মিটারগুলো অপসারণ করা না হলে সারাদেশে হরতাল এবং অবরোধ কর্মসূচি দেওয়া হবে।’
পরে ফোরামের একটি দল নেসকোর রংপুর বিতরণ অঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী আশরাফুল ইসলামের কাছে একই দাবিতে গণস্মারকলিপি তুলে দেন।
এ সময় আশরাফুল ইসলাম গণস্মারকলিপি গ্রহণ করে বলেন, ‘স্মারকলিপি যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে। আমরা সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করছি। সরকার নির্দেশনা দিলেই দাবি বাস্তবায়ন করা হবে। এটা সম্পূর্ণ সরকারের সিদ্ধান্তের ব্যাপার।’
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।
আপনার মন্তব্য লিখুন