“একসাথে, আরও শক্তিশালী-জলাতঙ্ক মুক্ত বিশ্ব গড়ি”-এবারের প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ২৮ সেপ্টেম্বর সোমবার জেলা ভেটেরিনারী হাসপাতালের আয়োজনে বিশ্ব জলাতঙ্ক দিবস-২০২৬ পালিত হয়েছে।
সকাল ১০টায় জেলা পাণিসম্পদ দপ্তর প্রাঙ্গন থেকে জেলা ভেটেরিনারী হাসপাতালের আয়োজনে সচেতনতামূলক বর্ণাঢ্য র্যালী বের হয়। র্যালী ও আলোচনা সভার শেষে বিনামূল্যে পোষা কুকুর ও বিড়ালের টিকাদান কর্মসূচীর উদ্বোধন করতে গিয়ে জেলা ভেটেরিনারী অফিসার ড. আশিকা আকবর তৃষা বলেন, সারাবিশ্বে বছরে ৫৯ হাজার লোক মারা যায় জলাতঙ্ক রোগের কারণে। এরা মূলত শিশু কিশোর। তবে সময় মতো এরোগের প্রতিরোধে জলাতঙ্ক‘র ভ্যাকসিন নিতে পারলে ১০০ ভাগ এ রোগ নিয়ন্ত্রন যোগ্য। জলাতঙ্ক একটি জুনোটিক রোগ। যে কোন স্তন্যপায়ী প্রাণীকে সংক্রামন করতে পারে। এ রোগে সংক্রমিত হলে এর কোনো চিকিৎসা নেই। একমাত্র সচেতনতায় এর চিকিৎসা। সেই সাথে ভ্রাম্যমান বা ভবঘুরে অথবা মালিক বিহীন বেওয়ারিশ কুকুরদের নিয়মিত খাবার নিশ্চয়তার পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে এবং প্রাণিদের ভালোবাসতে হবে। দিনব্যাপী ফ্রি টিকাদান কর্মসূচীতে স্থানীয় পোষা প্রাণির অভিভাবকরা তাদের পোষা প্রাণিগুলো এনে ফ্রি ভ্যাকসিন গ্রহণ করেন। তিনি আরও বলেন, কুকুরের খাবার বা ঘুমানোর সময় কোন প্রাণিকে বিরক্ত করবেন না। দুটি প্রাণিকে ঝগড়া করার সময় তাদের আলাদা করতে যাবেন না, তাদের ভয় দেখাবেন বা রাগাবেন না, অপরিচিত প্রাণির সংস্পর্শ এড়িয়ে চলুন, পোষা প্রাণিকে বন্য প্রাণির সাথে মিশতে দেবেন না। মনে রাখবেন জলাতঙ্ক ছড়ায় কামড়, আচর ও লালর মাধ্যমে।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।
আপনার মন্তব্য লিখুন