সরকারি দায়িত্ব ও রাজনৈতিক কর্মসূচি পালনে ব্যস্ত সময় কাটলেও চিকিৎসক হিসেবে নিজের এলাকার মানুষের পাশে দাঁড়াতে ভোলেননি মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। ছুটির দিনেও নিজ গ্রামের বাড়িতে রোগীদের চিকিৎসাসেবা দিচ্ছেন তিনি। তাঁর এ উদ্যোগে স্থানীয় বাসিন্দা ও চিকিৎসাসেবা নিতে আসা মানুষের মধ্যে প্রশংসা দেখা গেছে।দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার মতিহারা গ্রামে নিজ বাড়িতে শুক্রবার ও শনিবার সকাল থেকে রাত পর্যন্ত বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি রোগীদের সময় দিচ্ছেন মন্ত্রী। রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব, রাজনৈতিক ব্যস্ততা ও জনসম্পৃক্ত কার্যক্রমের মধ্যেও চিকিৎসক হিসেবে মানুষের সেবা করার এ উদ্যোগকে মানবিক দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এলাকার মানুষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখার পাশাপাশি অসুস্থ ও অসহায় ব্যক্তিদের খোঁজখবর নেন মন্ত্রী জাহিদ হোসেন। কর্মব্যস্ততার মধ্যেও নিজ এলাকার রোগীদের চিকিৎসাসেবা দেওয়ার চেষ্টা করেন তিনি। এতে চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও তাঁদের স্বজনদের মধ্যে সন্তোষ দেখা গেছে।
স্থানীয় বাসিন্দা সাহিন আলম বলেন, ‘মন্ত্রী মহোদয় অনেক ব্যস্ততার মধ্যেও গ্রামের মানুষের খোঁজখবর নেন। অসুস্থ রোগীদের পাশে দাঁড়ানো তাঁর মানবিকতার পরিচয়।’
দিনাজপুর-৬ আসনের হাকিমপুর উপজেলার বাসিন্দা আনছার আলী বলেন, ‘আমরা চাই, তিনি এভাবেই সাধারণ মানুষের পাশে থাকুন। এলাকার মানুষের সুখে-দুঃখে তাঁকে কাছে পাওয়া আমাদের জন্য আনন্দের।’
এক রোগীর স্বজন বলেন, ‘সারাদিনের ব্যস্ততা শেষে রোগীদের সময় দেওয়া সত্যিই প্রশংসনীয়। এতে রোগী ও তাঁদের স্বজনেরা সাহস ও ভরসা পান।’
এ বিষয়ে অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, ‘বিএনপি সরকার সাধারণ মানুষের সরকার। দেশের উন্নয়নের পাশাপাশি অসহায় মানুষের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে এ সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ। আমি একজন চিকিৎসক। সরকারি ও রাজনৈতিক কর্মসূচি পালনের পাশাপাশি নিজের এলাকার অসুস্থ মানুষের চিকিৎসাসেবা দেওয়ার চেষ্টা করছি। জনগণের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্য সামনে রেখেই দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে মানুষের পাশে থাকা আমার দায়িত্ব। সরকারি দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি নিজের এলাকার অসুস্থ ও অসহায় মানুষের খোঁজখবর নেওয়া এবং সাধ্য অনুযায়ী তাঁদের চিকিৎসাসেবা দেওয়ার চেষ্টা করি। সাধারণ মানুষ যেন প্রয়োজনের সময় চিকিৎসাসেবা পান, সেটিই আমার প্রত্যাশা।’
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, সরকারি দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি নিজ এলাকার মানুষের সঙ্গে মন্ত্রীর এ নিবিড় যোগাযোগ ও মানবিক সেবার উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে। তাঁদের মতে, জনপ্রতিনিধিরা মানুষের সুখে-দুঃখে পাশে থাকলে সাধারণ মানুষের সঙ্গে তাঁদের সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয়।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।
আপনার মন্তব্য লিখুন