দিনাজপুরের হাকিমপুরে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে চাচাকে হত্যার অভিযোগে ভাতিজা মো. তামজিদুল ইসলামকে (৩৫) গ্রেপ্তার করেছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)।
রোববার (১৮ অক্টোবর) সকালে এসআরবি-১৩-এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) মুহম্মদ মনিরুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
গ্রেপ্তার তামজিদুল ইসলাম হাকিমপুর উপজেলার বলরামপুর গ্রামের মৃত আজাদুল ইসলামের ছেলে। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) রাতে ঢাকার আশুলিয়া থানার পলাশবাড়ী এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানিয়েছে এসআরবি।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, নিহত রফিকুল ইসলামের সঙ্গে তাঁর ভাতিজা তামজিদুলের দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলছিল। গত ১০ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টার দিকে তামজিদুল মোটরসাইকেলে করে চাচার বাড়িতে যান। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বাড়ির বারান্দায় জমি নিয়ে আলোচনার একপর্যায়ে তিনি উত্তেজিত হয়ে রফিকুলের গলা চেপে ধরেন এবং বুকে পরপর তিনটি ঘুষি মারেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এ সময় মামলার অপর এক আসামিও রফিকুলের নাক-মুখ, বুক ও পিঠে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি ও লাথি মারেন বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
একপর্যায়ে পরিবারের সদস্যরা রফিকুলকে রক্ষা করতে এগিয়ে এলে দুই আসামি মোটরসাইকেলে করে পালিয়ে যান। গুরুতর আহত রফিকুলের মুখ দিয়ে রক্তমিশ্রিত বমি হলে তাঁকে দ্রুত বিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই দিন দুপুর ১২টা ৫০ মিনিটে তাঁর মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় রফিকুলের স্ত্রী মোছা. তানজিয়ারা (৩৮) বাদী হয়ে হাকিমপুর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।
এসআরবি জানায়, সুনির্দিষ্ট তথ্য ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এসআরবি-১৩-এর দিনাজপুর ক্যাম্প এবং এসআরবি-৪-এর সাভার ক্যাম্পের একটি যৌথ দল অভিযান চালায়। শুক্রবার রাত ৭টা ৪৫ মিনিটে আশুলিয়ার পলাশবাড়ী এলাকায় অভিযান চালিয়ে মামলার দুই নম্বর আসামি তামজিদুলকে গ্রেপ্তার করা হয়।
এসআরবি-১৩-এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) মুহম্মদ মনিরুজ্জামান বলেন, গ্রেপ্তার আসামিকে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।
আপনার মন্তব্য লিখুন