রংপুর মহানগরীর তাজহাট থানা পুলিশের একটি সফল অভিযানে পাঁচটি চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে চক্রের পাঁচ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) দুপুরে তাজহাট মেট্রোপলিটন থানায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি নিশ্চিত করেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম।
সংবাদ সম্মেলনে ওসি জানান, গত ৫ অক্টোবর রংপুর ক্যাডেট কলেজে কর্মরত রুহুল আমিনের ছেলে গোলাম রব্বানীর (গ্রাম: সাউদপাড়া, গঙ্গাচড়া) মোটরসাইকেলটি নগরীর মডার্ন-দর্শনা রোডের শুকটির গোডাউনের সামনে থেকে চুরি হয়ে যায়।
যানবাহনটি হারিয়ে যাওয়ার পর ভুক্তভোগী গোলাম রব্বানী তাজহাট থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগটি পাওয়ার পর পুলিশ বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে তাৎক্ষণিক তদন্তে নামে।
এরই ধারাবাহিকতায় ওসি রফিকুল ইসলামের সরাসরি তত্ত্বাবধানে এসআই (নিরস্ত্র) মো. মঞ্জুরুল হক, এএসআই (নিরস্ত্র) মুনমুন হোসাইন ও এএসআই (নিরস্ত্র) মো. নূর নবীসহ পুলিশের একটি চৌকস দল ধারাবাহিক অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযান পরিচালনাকালে রংপুরের মিঠাপুকুর, পীরগঞ্জ এবং দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট থানা এলাকা থেকে ওই পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তীতে গ্রেপ্তারকৃতদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে চুরি হওয়া মূল মোটরসাইকেলসহ মোট পাঁচটি চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার করতে সক্ষম হয় পুলিশ।
গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা হলেন—রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার শাহিন মিয়া (৩২) এবং পীরগঞ্জ উপজেলার শিমুল মণ্ডল (৩৫), মিলন মিয়া (৩৫), হাসান মিয়া (২৮) ও রাশেদ প্রধান (৩২)।
ওসি রফিকুল ইসলাম আরও জানান, গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
এদিকে নিজের হারিয়ে যাওয়া মোটরসাইকেলটি ফেরত পেয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রংপুর ক্যাডেট কলেজের কর্মী গোলাম রব্বানী। তিনি জানান, গত ৫ অক্টোবর নগরীর শুকটির গোডাউনের সামনে থেকে তার বাইকটি চোরচক্র নিয়ে যায়। পরে থানায় অভিযোগ জানানোর পর সোমবার গাড়িটি উদ্ধারের খবর পেয়ে তিনি থানায় এসে সেটি শনাক্ত করেন।
দ্রুততম সময়ে বাইকটি উদ্ধার করে দেওয়ায় তিনি তাজহাট থানা পুলিশের আন্তরিক পেশাদারিত্বের প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।
আপনার মন্তব্য লিখুন