শারদীয় দুর্গোৎসবের আনন্দ ভাগাভাগি, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বন্ধন আরও সুদৃঢ় করার বার্তা নিয়ে জয়পুরহাটের পাঁচবিবি পৌরসভার ১৬টি পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন মেয়র পদপ্রার্থী অ্যাডভোকেট নাজমুল ইসলাম জনি। এ সময় তিনি পূজামণ্ডপগুলোর পরিচালনা কমিটির নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং নিজস্ব তহবিল থেকে নগদ অর্থ সহায়তা প্রদান করেন।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাতে পাঁচবিবি পৌরসভার ২ নম্বর রেলগেট এলাকা থেকে শতাধিক মোটরসাইকেলের একটি শোভাযাত্রা নিয়ে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন শুরু করেন তিনি। পর্যায়ক্রমে পৌর এলাকার ১৬টি পূজামণ্ডপে গিয়ে মন্দির কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের হাতে নগদ অর্থ সহায়তা তুলে দেন। পাশাপাশি পূজামণ্ডপে উপস্থিত সনাতন ধর্মাবলম্বী নারী-পুরুষের সঙ্গে শারদীয় দুর্গোৎসবের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং তাঁদের খোঁজখবর নেন।
পরিদর্শনকালে অ্যাডভোকেট নাজমুল ইসলাম জনি ধর্ম-বর্ণনির্বিশেষে সব মানুষের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, ভালোবাসা, সহমর্মিতা ও ভ্রাতৃত্ববোধ বজায় রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি উৎসবের আনন্দকে সবার মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়া এবং শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের মাধ্যমে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ঐতিহ্য অক্ষুণ্ন রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। তাঁর এ আয়োজনের মূল বার্তা ছিল—ধর্ম যার যার, উৎসবের আনন্দ সবার।
এ সময় তাঁর ছোট ভাই অ্যাডভোকেট নাছিবুল ইসলাম ছনি, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক হুমায়ুন কবির, যুগ্ম আহ্বায়ক আলিফ ও আকরাম, যুবনেতা আবদুর রহমান, পৌর ওলামা দলের সাধারণ সম্পাদক আলিম, ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর পদপ্রার্থী জাহিদ হোসেন বাবুসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ও সমর্থকেরা উপস্থিত ছিলেন।
অ্যাডভোকেট নাজমুল ইসলাম জনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের জয়পুরহাট জেলা শাখার সদস্যসচিব, জেলা মোটর শ্রমিক সংগঠনের আইন উপদেষ্টা, পাঁচবিবি পৌর বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য এবং সাবেক পৌর ছাত্রদল নেতা। তিনি সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।
স্থানীয়দের কাছে শারদীয় দুর্গোৎসব শুধু একটি ধর্মীয় আয়োজন নয়, বরং পারস্পরিক সৌহার্দ্য, সামাজিক বন্ধন ও সম্প্রীতি প্রকাশেরও উপলক্ষ। এমন উৎসবের সময়ে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন, শুভেচ্ছা বিনিময় ও সহায়তা প্রদান বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক জোরদারে ভূমিকা রাখতে পারে। ধর্মীয় ভিন্নতা ভুলে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহযোগিতার মধ্য দিয়ে শান্তিপূর্ণ সমাজ গড়ে তোলার প্রত্যাশাই তাঁর এ কর্মসূচিতে গুরুত্ব পেয়েছে।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।
আপনার মন্তব্য লিখুন