চাঁদাবাজির কারণে জনগণের ব্যয় বাড়ছে বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান। রোববার (২৫ অক্টোবর) জাতীয় প্রেসক্লাবে জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষরের বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।
বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, দীর্ঘ ফ্যাসিবাদী দুঃশাসনের পর সফল গণ-অভ্যুত্থানের মধ্যে দিয়ে স্বৈরাচারের পতন হয়। এরপর অন্তর্বর্তী সরকার জুলাই আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের জন্য ঐকমত্য কমিশন গঠন করে। বহু আলাপ-আলোচনা হয়। বেশিরভাগ বিষয়ে একমত পোষণ করে একটা সনদ বাস্তবায়ন করা হয়। এর ভিত্তিতে সবাই এই সনদে স্বাক্ষর করেন। জনগণের আকাঙ্ক্ষা হ্যাঁ-এর পক্ষে রায় পেয়েছে।
জামায়াত আমির বলেন, আমরা আগে গণভোট চেয়েছিলাম, পরে ভোট চেয়েছিলাম। কিন্তু আমাদের শঙ্কা সত্য হয়েছে। আমরা পরিবর্তনের রাজনীতি ও প্রয়োজনীয় সংস্কার চাই। কিন্তু দেশে বৈষম্য আরও বেড়েছে।
তিনি বলেন, এত তাড়াতাড়ি আমাদের আন্দোলন নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন। তাহলে আপনারা কেন এত তাড়াতাড়ি চাঁদাবাজি, দখলবাজিতে জড়ালেন। বিভিন্ন স্থানে প্রশাসক বসালেন। সালাহউদ্দিন আহমেদ পারদর্শী লোক। সব মন্ত্রণালয় দেখেন। শুধু নিজের মন্ত্রণালয় দেখেন না। মাদক ঢুকে তার সংসদীয় এলাকা দিয়ে।
তিনি আরও বলেন, আমরা জনগণের অধিকার আদায়ের দাবি নিয়ে আন্দোলনে নেমেছি। এখানে আমাদের কিংবা ১১ দলীয় ঐক্যের কোনো দাবি নেই। জনগণের দাবিতেই আমাদের আন্দোলন।
‘আগামী লংমার্চ ঢাকা থেকে কুষ্টিয়ায় শেষ হবে। আগামী ৩১ অক্টোবর লংমার্চে বাধা দিলে কঠোরভাবে মোকাবিলা করা হবে। কোনো ষড়যন্ত্র আমরা মানবো না’, যোগ করেন ডা. শফিকুর রহমান।
বিএনপিকে উদ্দেশ করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ফ্যাসিবাদ তাড়াতে পারেননি। ৪১ সালের পরিকল্পনা শেখ হাসিনা করেছিলেন। আমরা দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা করে আনদোলন করে এগিয়ে গেছি। অতীত ভুলে গেলেন? সংবিধান মানলে ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি নিবাচন হত না। সংবিধানের নেশা থেকে বেরিয়ে আসেন। এই সংবিধান ফ্যাসিবাদকে স্থায়ী করেছে। জাতির সঙ্গে দেয়া কথা আপনারা রাখেননি। জনগণের সঙ্গে আপনারা ধাপ্পাবাজি করেছেন।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।
আপনার মন্তব্য লিখুন