গেন্ডারিয়ার ঘুণ্টিঘরে মাদকের আস্তানা উচ্ছেদের পর এবার নির্মিত হচ্ছে ২৬ ফুট প্রশস্ত সড়ক। রেললাইনসংলগ্ন দীর্ঘদিনের মাদককেন্দ্র হিসেবে পরিচিত এলাকায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের কাজ চলছে দ্রুতগতিতে।
সড়কটি নির্মিত হলে মানুষের চলাচল সহজ হওয়ার পাশাপাশি মাদক নিয়ন্ত্রণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর টহলও জোরদার হবে বলে আশা করছেন ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেন।
ঢাকার গেন্ডারিয়ার ঘুণ্টিঘর এলাকা সোমবার পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
ইশরাক হোসেন বলেন, রেললাইনের পাশে রেলের জমিতে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করে প্রায় আড়াই কিলোমিটার এলাকাজুড়ে মাদকের আস্তানা গড়ে উঠেছিল। সেখানে মাদক সেবন, বিক্রি ও বিভিন্ন অবৈধ কর্মকাণ্ড চলত। এরই মধ্যে শ্যামপুর অংশে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ শুরু হয়েছে।
তিনি জানান, গত দুই সপ্তাহের উচ্ছেদ কার্যক্রমে ২৬ ফুট প্রশস্ত সড়ক নির্মাণের পরিবেশ প্রায় তৈরি হয়েছে। কয়েকটি স্থাপনা সরানোর কাজ বাকি থাকলেও সেগুলোর অধিকাংশই অবৈধ ও অস্থায়ী।
সড়কটি নির্মিত হলে এলাকার বিভিন্ন মহল্লার সংযোগ সড়ক খুলে যাবে। এতে সাধারণ মানুষের যাতায়াত সহজ হবে এবং অ্যাম্বুলেন্সসহ জরুরি যানবাহনের চলাচল নির্বিঘ্ন হবে বলেও জানান তিনি।
ইশরাক বলেন, সড়ক নির্মাণের পাশাপাশি স্ট্রিট লাইট ও সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের পরিকল্পনা রয়েছে। এতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিয়মিত টহল সহজ হবে এবং মাদক নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব হবে।
ঢাকা-৬ আসনের ৪৫ ও ৪৬ নম্বর ওয়ার্ডসহ পুরো গেন্ডারিয়ায় মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেন, নির্বাচনি এলাকার মাদকের স্পটগুলো পর্যায়ক্রমে পুরোপুরি ধ্বংস করা হবে। এ জন্য জনগণ, জনপ্রতিনিধি ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।
এ সময় তিনি জানান, রেল প্রতিমন্ত্রী ও ঢাকা-৯ আসনের সংসদ সদস্য হাবিবুর রহমান হাবিবও সড়ক নির্মাণে সহযোগিতা করছেন।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।
আপনার মন্তব্য লিখুন