দিনাজপুরের বিরল উপজেলায় আইন-শৃঙ্খলার ব্যাপক উন্নতি ঘটেছে। বিরল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আল এমরান-এর দূরদর্শী নেতৃত্ব এবং থানা পুলিশের সমন্বিত প্রচেষ্টায়, উপজেলায় অপরাধ প্রবণতা উল্লেখ যোগ্য হারে হ্রাস পেয়েছে। বিশেষ করে, গত জুলাই মাসে ঘটে যাওয়া দুটি চাঞ্চল্যকর হত্যা কাণ্ডের মূল আসামিদের মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতার করে পুলিশ তাদের পেশা দারিত্বের প্রমাণ দিয়েছে।
একই সাথে থানা জুড়ে চলমান পুলিশের চিরুনি অভিযানে মাদক ব্যবসা ও সেবন বর্তমানে শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছে।
জানা গেছে, সদ্য সমাপ্ত জুলাই মাসে বিরল উপজেলায় পৃথক দুটি হত্যা কাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ঘটনা গুলো জানার পর পরই বিরল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল এমরান-এর দিক নির্দেশনায় পুলিশের বিশেষ টিম মাঠে নামেন। কোনো রকম বিলম্ব না করে ক্লুলেস ও চাঞ্চল্যকর এই অপরাধের রহস্য উদঘাটনসহ মূল হত্যা কারীদের মাত্র কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে চিরুনি অভিযান চালিয়ে আটক করতে সক্ষম হয় পুলিশ। দ্রুততম সময়ে আসামিদের আইনের আওতায় আনায় স্থানীয় জন গণের মাঝে পুলিশের প্রতি আস্থা আরও সুদৃঢ় হয়েছে।
এদিকে বিরল উপজেলাকে মাদক ও অপরাধমুক্ত করতে বিশেষ পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে পুলিশ প্রশাসন। উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকা ও বিভিন্ন স্পটে নিয়মিত সাঁড়াশি ও চিরুনি অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। মাদক ব্যবসায়ী ও চোরা কারবারিদের কোনো প্রকার ছাড় না দিয়ে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার ফলে বিরলে মাদক বেচাকেনা ও সেবন এখন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে এবং প্রায় শূন্যের কোঠায় পৌঁছেছে।
বিরল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আল এমরান বলেন, জনগণের জান মালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সমাজ থেকে অপরাধ দূর করাই আমাদের মূল লক্ষ্য। পুলিশের আইনি কার্যক্রম ও সাহসিকতায় জুলাই মাসের দুটি হত্যাকাণ্ডের মূল আসামিকে আমরা দ্রুততম সময়ে সনাক্ত ও গ্রেফতার করতে পেরেছি।
এছাড়া মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান জিরো টলারেন্স। মাদক কার বারিদের দমনে আমাদের চিরুনি অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং এর ফলে উপজেলায় মাদক এখন শূন্যের কোঠায়। এই ধারা বজায় রাখতে বিরল থানা পুলিশ দিনরাত নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, আইন-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে আমরা স্থানীয় জনগণের সর্বাত্মক সহযোগিতা পাচ্ছি। বিরল উপজেলাকে একটি সম্পূর্ণ নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ এলাকা হিসেবে গড়ে তুলতে আমার সহকর্মীদের সাথে নিয়ে আমি শেষ পর্যন্ত কাজ করে যাবো।
স্বস্তিতে বিরলবাসী পুলিশের এই কঠোর অবস্থানের কারণে উপজেলার সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
স্থানীয় সচেতন মহল ও ব্যবসায়ীরা জানান, পুলিশি তৎপরতা বৃদ্ধি পাওয়ায় এলাকায় চুরি, ছিনতাই ও মাদকসহ সব ধরণের সামাজিক অপরাধ বন্ধ হয়েছে। প্রত্যন্ত এলাকাতেও এখন সাধারণ মানুষ নিরাপদে চলাচল করতে পারছেন। বিরল থানা পুলিশের এমন জনবান্ধব ও সাহসী ভূমিকার প্রশংসা করছেন উপজেলার সর্বস্তরের মানুষ।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।
আপনার মন্তব্য লিখুন