দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে সরকারি কাজে বাধা, ডিউটিরত পুলিশ সদস্যকে মারধর এবং সরকারি দায়িত্ব পালনে বিঘ্ন সৃষ্টি করার অভিযোগে উপজেলা বিএনপির এক নেতার ছেলে ও পৌর ছাত্রদলের এক নেতাসহ দুইজনের নাম উলেস্নখ করে অজ্ঞাত আরও ৫-৬ জনের বিরম্নদ্ধে বিরামপুর থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।
সোমবার (৩ আগস্ট) বিরামপুর থানার এসআই (নিঃ) মো. আল-আমিন বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, বাংলা ১৪৩৩-১৪৩৫সনের জন্য উপজেলা পরিষদের অর্পিত পুকুর ইজারা সংক্রান্ত্ম প্রকাশ্য ডাক (নিলাম) উপলক্ষে ইউএনও কার্যালয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছিলেন। এসময় অভিযুক্তরা দলবদ্ধ হয়ে সেখানে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি, সরকারি কাজে বাধা করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
মামলার এজাহারে উলেস্নখ করা হয়েছে, অভিযুক্তরা পরিস্থিতির ভিডিও ধারণে বাধা দেন এবং ডিউটিরত কনস্টেবল মো. নুরম্নজ্জামান সরকারকে মারধর করে আহত করেন। পরে তাকে বিরামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপেস্নক্সে নেওয়া হলে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। একই সঙ্গে পুলিশ সদস্যদের মোবাইল ফোনে ধারণ করা ভিডিওচিত্র মুছে ফেলতে বাধ্য করার অভিযোগও করা হয়েছে।
মামলায় নাম উলেস্নখ করা দুই অভিযুক্ত হলেন,ধানঘড়া গ্রামের মো. রাহাদুজ্জামান পরাগ (২৭), যিনি উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইব্রাহিম আলী বাবুর ছেলে এবং ইসলামপাড়া এলাকার মো. আল-আমিন (২৫), যিনি পৌর ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে পরিচিত। এছাড়া অজ্ঞাত আরও ৫-৬ জনকে আসামি করা হয়েছে।
এ বিষয়ে বিরামপুর থানার তদন্ত্ম কর্মকর্তা শামিম আল মামুন বলেন, মামলাটি তদন্ত্মাধীন রয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত্ম শেষে আইন অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
বিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তানজিনা খাতুন বলেন, এ বিষয়ে বিরামপুর থানার পক্ষ থেকে একটি মামলা দায়ের হয়েছে।