দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে সার ও কীটনাশকের বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, কৃষকদের ন্যায্য মূল্যে প্রয়োজনীয় কৃষি উপকরণ প্রাপ্তি নিশ্চিত করা, বাজারে শৃঙ্খলা ও স্বচ্ছতা বজায় রাখতে যৌথভাবে মনিটরিং অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা কৃষি দপ্তর।
উপজেলা কৃষি দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, কৃষকের চাহিদা অনুযায়ী সারের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা, কোনো ধরনের কৃত্রিম সংকট বা অনিয়মের সুযোগ না দিতে নিয়মিত ভাবে বাজার মনিটরিং করা হচ্ছে। পাশাপাশি কৃষকদেরও অনুমোদিত ডিলার ও নির্ধারিত বিক্রয় কেন্দ্র থেকে প্রয়োজনীয় কৃষি উপকরণ সংগ্রহের বিষয়ে সচেতন করা হচ্ছে। দোকান গুলোতে সার ও কীটনাশকের সংরক্ষণ, বিক্রয় কার্যক্রমসহ সংশিস্নষ্ট বিষয়গুলো পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। এ সময় চিহ্নিত কিছু ত্রম্নটি-বিচ্যুতি দ্রম্নত সংশোধনের জন্য ব্যবসায়ীদের প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে। মনিটরিং কার্যক্রমের ফলে বর্তমানে ঘোড়াঘাট উপজেলায় সারের সার্বিক সরবরাহ ও বাজার পরিস্থিতি সন্ত্মোষজনক পর্যায়ে রয়েছে বলে সংশিস্নষ্টরা জানান। প্রশাসন ও কৃষি বিভাগের নিয়মিত নজরদারির কারণে কৃষকদের মধ্যে সারের প্রাপ্যতা নিয়ে উদ্বেগও অনেকটা কমেছে।
এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. রফিকুজ্জামান বলেন, সার ও কীটনাশক বিক্রিতে শৃঙ্খলা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি বিভাগের যৌথ মনিটরিং কার্যক্রম নিয়মিতভাবে চলছে। এ তদারকি কার্যক্রমের ফলে বর্তমানে ঘোড়াঘাট উপজেলায় সারের সার্বিক সরবরাহ ও বাজার পরিস্থিতি সন্ত্মোষজনক পর্যায়ে রয়েছে। প্রশাসন ও কৃষি বিভাগের নিয়মিত নজরদারির কারণে কৃষকদের মধ্যে সারের প্রাপ্যতা নিয়ে যে উদ্বেগ ছিল, তা অনেকটাই কমেছে। কৃষকরা যাতে সময়মতো প্রয়োজনীয় সার ন্যায্যমূল্যে পান, কোনো ধরনের কৃত্রিম সংকট বা অনিয়মের শিকার না হন, সে বিষয়টি আমরা গুরম্নত্বের সঙ্গে দেখছি। কৃষকের স্বার্থে এ ধরনের মনিটরিং কার্যক্রম ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। তিনি আরও বলেন, মনিটরিং এর পাশাপাশি কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে মাটির স্বাস্থ্য রক্ষা ও টেকসই কৃষি নিশ্চিত করতে কৃষকদের মাঝে মাটি পরীক্ষা এবং পরিমিত মাত্রায় রাসায়নিক সার ব্যবহারের সচেতনতা বৃদ্ধি করা হচ্ছে।
উপজেলা সার ব্যবস্থাপনা-সংক্রান্ত্ম কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রম্নবানা তানজিন বলেন, কৃষকের স্বার্থ সুরক্ষা এবং কৃষি উৎপাদন স্বাভাবিক রাখতে সার ও কৃষি উপকরণের বাজার পরিস্থিতির ওপর প্রশাসনের নজরদারি অব্যাহত থাকবে। কোথাও কোন অনিয়ম বা কৃষক হয়রানির অভিযোগ পাওয়া গেলে তা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে নিয়ম মেনে ব্যবসা পরিচালনাকারী ব্যবসায়ীদের প্রশাসনের পক্ষ থেকে সহযোগিতা করা হবে।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।
আপনার মন্তব্য লিখুন