মিরপুর টেস্টে বড় সংগ্রহের স্বপ্ন দেখিয়েও নিজেদের ভুলে বড় ইনিংস গড়তে পারল না বাংলাদেশ দল। সাদমান ইসলামের অনবদ্য সেঞ্চুরির পরও ব্যাটিং ধসের কবলে পড়ে স্বাগতিকরা। মাত্র ৫৯ রান যোগ করতেই শেষ সাতটি উইকেট হারিয়ে প্রথম ইনিংসে ২৭২ রানে অলআউট হয়েছে বাংলাদেশ। উইকেটের ফায়দা নিয়ে সফরকারী বোলাররা দুর্দান্ত কামব্যাক করায় বড় স্কলার গড়ার সুযোগ হাতছাড়া হলো টাইগারদের।
ম্যাচের দ্বিতীয় দিনে আগের দিনের ৩ উইকেটে ২১৩ রান নিয়ে মাঠে নামে বাংলাদেশ। দিনের প্রথম ওভারেই ২ রান নিয়ে নিজের টেস্ট ক্যারিয়ারের তৃতীয় সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন বাঁহাতি ওপেনার সাদমান ইসলাম। তবে সেঞ্চুরির পর ইনিংস বড় করতে পারেননি তিনি। অভিষিক্ত বোলার জশুয়া বিশপের বলে এলবিডব্লিউ হয়ে ১০৫ রানে সাজঘরে ফেরেন এই ওপেনার। আর তার বিদায়ের পরই হুড়মুড় করে ভেঙে পড়ে বাংলাদেশের মিডল অর্ডার।
আগের দিন পেশির টানে ৪২ রান করে রিটায়ার্ড হার্ট হওয়া তাওহিদ হৃদয় আজ সাদমানের বিদায়ের পর নামলেও রানের খাতা খুলতে পারেননি। জশুয়া বিশপের বলে বোল্ড হয়ে ফেরেন তিনি। এরপর মেহেদী হাসান মিরাজ ও লিটন দাস জুটি গড়ার চেষ্টা করলেও থিতু হতে পারেননি মিরাজ। জোমেল ওয়ারিক্যানের সোজা ডেলিভারিতে বোল্ড হওয়ার আগে ১৫ রান করেন তিনি। লিটনের সঙ্গে তার ৭১ বল স্থায়ী ৩২ রানের জুটিটি ভাঙার পর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে বাংলাদেশ।
এরপর নাঈম হাসান (৫) শামার জোসেফের গতির মুখে পড়ে স্লিপে ক্যাচ দেন। হাসান মাহমুদ যোগ করেন মাত্র ৬ রান। আর ইনিংসের শেষ দিকে তাইজুল ইসলামকে (০) ফিরিয়ে বাংলাদেশের ইনিংসের দ্রুত পতন নিশ্চিত করেন জোমেল ওয়ারিক্যান। তবে এক প্রান্তে দায়িত্বশীল ব্যাটিং করে ৮৮ বলে চার চারে ৩৪ রানে অপরাজিত থাকেন উইকেটকিপার ব্যাটার লিটন দাস।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের বোলিং আক্রমণে সবচেয়ে সফল ছিলেন জোমেল ওয়ারিক্যান। তিনি ৫৩ রান খরচ করে শিকার করেন ৫টি উইকেট। এছাড়া গতিময় পেসার শামার জোসেফ তিনটি এবং অভিষিক্ত জশুয়া বিশপ দুটি উইকেট লাভ করেন।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।
আপনার মন্তব্য লিখুন