ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়েছে। নয় কার্যদিবসের এই সংক্ষিপ্ত অধিবেশনে আইন প্রণয়নের জন্য উত্থাপিত মোট ছয়টি বিলের প্রতিটিই পাস হয়েছে।
বৃহস্পতিবার রাতে সংসদ অধিবেশনে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম রাষ্ট্রপতির পক্ষে সমাপনী সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিক ঘোষণা পাঠের মাধ্যমে এই অধিবেশনের ইতি টানেন।
সংবিধানের বিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এই সমাপনী আদেশ জারি করেন। গত ২৭ আগস্ট শুরু হওয়া এই অধিবেশনে মোট নয়টি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। আইন প্রণয়ন কার্যক্রমের পাশাপাশি এ অধিবেশনে ৩টি বিশেষ কমিটিসহ ৪৮টির বেশি সংসদীয় কমিটি গঠন ও পুনর্গঠন সম্পন্ন করা হয়। একই সঙ্গে সংসদীয় কার্যপ্রণালি-বিধির নানা বিধির আওতায় সংসদ সদস্যরা বিভিন্ন জনগুরুত্বপূর্ণ নোটিশ জমা দেন।
এর মধ্যে ৬৮ বিধিতে জমা হওয়া ৭টি নোটিশের মধ্যে ২টি গৃহীত হয়ে আলোচনা হয়। ৭১ বিধিতে আসা ১৫টি নোটিশের মধ্যে ১৪টির ওপর আলোচনা অনুষ্ঠিত হয় এবং ৭১ক বিধিতে দুই মিনিটের বক্তব্য প্রদানের জন্য ১২৪টি নোটিশ পাওয়া যায়। এছাড়া অধিবেশনে ১৪৭ বিধিতে প্রাপ্ত ২টি নোটিশের মধ্যে একটির ওপর আলোচনা হয় এবং ৩০২ বিধিতে একটি নোটিশ উত্থাপিত হয়।
অধিবেশন চলাকালে সংসদ সদস্যদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সদস্যরা। সরকারপ্রধানের উত্তরদানের জন্য ১৪৪টি প্রশ্নের নোটিশ জমা পড়লেও তিনি ১৫টি প্রশ্নের উত্তর দেন। অন্যদিকে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীদের উদ্দেশ্যে উত্থাপিত ২ হাজার ৬৭৬টি নোটিশের বিপরীতে ১ হাজার ৬৭৮টি প্রশ্নের উত্তর প্রদান করা হয়েছে। সমাপনী বক্তব্যে সংসদে মতপার্থক্যকে গণতান্ত্রিক রীতির অংশ হিসেবে উল্লেখ করে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।
আপনার মন্তব্য লিখুন