আগামীকাল শুক্রবার থেকে দিনাজপুরে শুরু হচ্ছে তিন দিনব্যাপী জেলা ইজতেমা। শহরের গোর-এ-শহীদ বড়ময়দানে আয়োজিত এ ইজতেমা রোববার (৮ নভেম্বর) আখেরি মোনাজাতের মাধ্যমে শেষ হবে। এরই মধ্যে ইজতেমা আয়োজনের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে কর্তৃপক্ষ।
জেলা তাবলিগ জামাতের আয়োজনে শুক্রবার বাদ ফজর আমবয়ানের মধ্য দিয়ে ইজতেমার কার্যক্রম শুরু হবে। এতে দিনাজপুরের ১৩টি উপজেলা ছাড়াও পাশের ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড়, নীলফামারী, রংপুর, গাইবান্ধা, লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রামসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকার তাবলিগ জামাতের সাথীরা অংশ নেবেন। জেলা ও থানাভিত্তিক মুসল্লিদের অবস্থান শনাক্ত করতে ইজতেমা মাঠে খিত্তাওয়ারী থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
ইজতেমায় অংশ নিতে আসা মুসল্লিদের জন্য প্যান্ডেল, ওজুখানা ও থাকার ঘর তৈরির কাজ ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে। দিনাজপুর জেলা তাবলিগ জামাতের আমিরে ফয়সাল এবং হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল হাকিম জানান, বাংলাদেশের আমিরে ফয়সাল, ঢাকার কাকরাইলের জিম্মাদারসহ আরও কয়েকজন দায়িত্বশীল ব্যক্তি ইজতেমায় উপস্থিত হয়ে বয়ান করবেন।
মুসল্লিদের ওজু ও গোসলের পানির ব্যবস্থা করতে মাঠে টিউবওয়েল, একটি সাবমারসিবল পাম্প ও মোটর স্থাপন করা হয়েছে। নিরাপদ স্যানিটেশনের জন্য তৈরি করা হয়েছে দুই শতাধিক শৌচাগার। এ ছাড়া বিদেশি অতিথি এবং তাবলিগ জামাতের বয়স্ক সাথীদের জন্য মাঠের দক্ষিণ পাশে বিশেষ কক্ষ তৈরি করা হয়েছে।
২০১৭ সালে প্রথমবারের মতো দিনাজপুরে জেলা ইজতেমা অনুষ্ঠিত হয়। করোনার কারণে পরবর্তী সময়ে দুই বছর এ আয়োজন বন্ধ ছিল। এবার নিয়ে দিনাজপুরে অষ্টমবারের মতো জেলা ইজতেমা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
শুক্রবার ইজতেমা শুরু হলেও বৃহস্পতিবার দুপুর থেকেই বিভিন্ন এলাকা থেকে জামাত নিয়ে দলে দলে মুসল্লিরা মাঠে আসতে শুরু করেন। বৃহস্পতিবার বিকেলে সরেজমিনে দেখা যায়, মুসল্লিরা স্বেচ্ছাশ্রমে প্যান্ডেলসহ আয়োজনের বিভিন্ন কাজ সম্পন্ন করেছেন।
জেলা তাবলিগের এক জিম্মাদার জানান, সৌদি আরব, মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড ও সুদানের জামাতগুলো ইতিমধ্যে দিনাজপুরে অবস্থান করছে। আরও কয়েকটি দেশের জামাত আসার সম্ভাবনা রয়েছে। বিদেশি জামাতের দায়িত্বশীল ব্যক্তিরাও ইজতেমায় অংশ নেওয়া মুসল্লিদের সামনে বয়ান করবেন।
শুক্রবার ইজতেমা শুরু হলেও বৃহস্পতিবার দুপুর থেকেই বিভিন্ন এলাকা থেকে জামাত নিয়ে দলে দলে মুসল্লিরা মাঠে আসতে শুরু করেন। বৃহস্পতিবার বিকেলে সরেজমিনে দেখা যায়, মুসল্লিরা স্বেচ্ছাশ্রমে প্যান্ডেলসহ আয়োজনের বিভিন্ন কাজ সম্পন্ন করেছেন।
মুসল্লিদের ওজু ও গোসলের পানির ব্যবস্থা করতে মাঠে টিউবওয়েল, একটি সাবমারসিবল পাম্প ও মোটর স্থাপন করা হয়েছে। নিরাপদ স্যানিটেশনের জন্য তৈরি করা হয়েছে দুই শতাধিক শৌচাগার। এ ছাড়া বিদেশি অতিথি এবং তাবলিগ জামাতের বয়স্ক সাথীদের জন্য মাঠের দক্ষিণ পাশে বিশেষ কক্ষ তৈরি করা হয়েছে।
২০১৭ সালে প্রথমবারের মতো দিনাজপুরে জেলা ইজতেমা অনুষ্ঠিত হয়। করোনার কারণে পরবর্তী সময়ে দুই বছর এ আয়োজন বন্ধ ছিল। এবার নিয়ে দিনাজপুরে অষ্টমবারের মতো জেলা ইজতেমা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
নিজামুদ্দিনের অনুসারী ও কাকরাইলের মো. হারুন-অর-রশিদ জানান, গ্রাম-গঞ্জের মানুষ যেন আল্লাহর নির্দেশ ও নবীর তরিকায় জীবন পরিচালনা করতে পারেন, সে উদ্দেশ্যে দেশের ৬৪ জেলায় ইজতেমার আয়োজন করা হয়। তাঁর ভাষ্য, ঢাকার টঙ্গীতে বিশ্ব ইজতেমায় অনেকের পক্ষে অর্থের অভাবে অংশ নেওয়া সম্ভব হয় না। এ কারণে জেলাভিত্তিক ইজতেমার আয়োজন করা হয়ে থাকে।
ইজতেমা উপলক্ষে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন দিনাজপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নুরনবী। তিনি জানান, ইজতেমা মাঠে পোশাকধারী পুলিশের পাশাপাশি সাদাপোশাকেও পুলিশ দায়িত্ব পালন করবে। চুরি, ছিনতাই ও মুসল্লিদের হয়রানি ঠেকাতে পুলিশ সতর্ক থাকবে। ইজতেমা শেষ না হওয়া পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করবেন বলেও জানান তিনি।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।
আপনার মন্তব্য লিখুন