সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় অনুষ্ঠান দূর্গা পূজার বিশেষ আকর্ষণ কুমারী পূজা । মহা অষ্টমী তিথিতে দিনাজপুর রাজকৃষ্ণ আশ্রমে অত্যন্ত আনন্দঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে কুমারী পূজা।
আজ সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকাল ৯টায় রামকৃষ্ণ আশ্রমের স্বামী অমৃতত্বানন্দ ভবন ও আশ্রম শতবর্ষ মিলনায়তনে কুমারী পূজা অনুষ্ঠিত হয় ।
দিনাজপুর শহরের সুশান্ত মিশ্রের নাবালিকা কন্যা শ্রী অমৃতা মৃশ্র (৭) কে বিশুদ্ধ নারীর রুপ কল্পনা করে দেবীজ্ঞানে পূজা করা হয় ।
কুমারী পূজা করেন সঞ্জয় চক্রবর্তী ও রামকৃষ্ণ আশ্রমের অধ্যক্ষ স্বামী বিভাত্মানন্দ মহারাজ।
হিন্দু শাস্ত্রীয়মতে সাধারনত ১থেকে ৭/৮বছরের অজাতপুষ্প সুলক্ষনা ব্রাহ্মণ বা অন্য গোত্রের অবিবাহিত কুমারী নারীকে দেবী জ্ঞানে পূজা করা হয় । শ্রী রামকৃষ্ণের কথামৃত অনুসারে শুদ্ধাত্মা কুমারীতে ভগবতী রুপ বেশী প্রকাশ পায় এবং মাতৃরূপ উপলব্ধি করাই কুমারী পূজার উদ্দেশ্য ।
কুমারী পূজা উপলক্ষে কুমারী নারীকে স্নান করিয়ে নতুন বস্ত্র ,পায়ে আলতা ,সিঁথিতে সিদুর নানা অলংকারের সজ্জিত করে ঢাক ,ঢোল,শংঙ্খের ধ্বনি ও উলুধ্বনি দিয়ে দেবী দূর্গা জ্ঞানে পূজা করা হয় ।
স্বামী বিভাত্মানন্দ মহারাজ বলেন কুমারী পূজার মাহাত্ম্য হলো নিজের মধ্যে অসুর মনোবৃত্তি পরিহার করে মাতৃজ্ঞানে নারীকে উপলব্ধি করা।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।
আপনার মন্তব্য লিখুন