যদি খাবারের প্রতি ভালোবাসা থাকে তাহলে বাজারে যাওয়ার প্রতি টান থাকবে না সেটা হতে পারে না। তাই সেই তাগিদ থেকে ব্যাগ হাতে নিয়ে বাজারে ছুটে যায় সব ভোজন রসিক মানুষ। তবে
কিছুদিন আগে বাজারে গিয়ে দাম নিয়ে হা হুতাশ করলেও এখন সেই চিত্র পাল্টে গেছে। বিশেষ করে বাজারে এখন সবজির দাম কমে ক্রেতাদের হাতের লাগালে। তাই কিছুটা স্বস্তি এসেছে সাধারণ মানুষের মাঝে।
সরবরাহ বাড়ায় রাজধানীর কাঁচাবাজারে বিভিন্ন ধরনের সবজির দামে কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন প্রোটিনের প্রধান উৎস ডিম ও মুরগির বাজার এখনো চড়া রয়েছে। তবে প্রতিটি ডিম খুচরা কিনতে গেলে গুনতে হচ্ছে প্রায় ১৪ টাকা। এক ডজন ডিম কিনতে খরচ হচ্ছে ১৬৫ টাকা। শুধু ডিম নয়, অধিকাংশ সবজির দামও গত সপ্তাহের তুলনায় কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা বেড়েছে। মাছও বিক্রি হচ্ছে বাড়তি দামে। তবে মুরগি ও গরুর মাংসের দামে তেমন পরিবর্তন দেখা যায়নি।
আজ শুক্রবার রাজধানীর খিলক্ষেত কাপ্তান বাজার, রায়সাহেব বাজার, বাবু বাজার ও কাওরান বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, রাজধানীর বাজারে সবচেয়ে কম দামে পেঁপে বিক্রি হচ্ছে। প্রতি কেজি পেঁপের দাম ৩০ টাকা। এ ছাড়া পটল, ঢেঁড়স, কাঁকরোল, ঝিঙে ও জালি ৬০ টাকা, করলা ৭০ টাকা এবং লাউ ও ধুন্দল ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। শসা ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে পাওয়া যাচ্ছে। দেশি শসার দাম তুলনামূলক বেশি। প্রতি কেজি দেশি শসা বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকা দরে।
তবে বেগুন ও টমেটোর দাম এখনো বেশ চড়া। বাজারে লম্বা বেগুন ১০০ টাকা, গোল বেগুন ১২০ টাকা এবং টমেটো ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। সবচেয়ে বেশি দামের সবজির তালিকায় রয়েছে শিম। বাজারভেদে প্রতি কেজি শিম বিক্রি হচ্ছে ১৮০ থেকে ২০০ টাকা দরে। সরবরাহ বাড়ায় কাঁচা মরিচের দামও কিছুটা কমেছে। মানভেদে প্রতি কেজি কাঁচামরিচ ১২০ থেকে ১৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।
আপনার মন্তব্য লিখুন