ভারত থেকে কাঁচামরিচ আমদানি শুরম্ন হওয়ায় এক দিনের ব্যবধানে দিনাজপুরের হিলিতে দেশি কাঁচামরিচের দাম কেজিপ্রতি ১০০ টাকা কমেছে। বর্তমানে দেশি কাঁচামরিচ ১৫০ থেকে ১৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে হিলি স্থলবন্দরের পাইকারি মোকামে ভারতীয় কাঁচামরিচ ১৬০ থেকে ১৮০টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ভারত থেকে আমদানির ফলে দেশি বাজারেও দাম কমেছে বলে জানিয়েছেন খুচরা বিক্রেতারা। এতে সাধারণ ক্রেতাদের মধ্যে কিছুটা স্বস্ত্মি ফিরেছে।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) হিলির কাঁচাবাজার ঘুরে এ তথ্য পাওয়া গেছে।
হিলির কাঁচাবাজারে মরিচ কিনতে আসা রাশেদুল ইসলাম রাশেদ বলেন, ভারত থেকে আমদানি শুরম্ন হওয়ার কারণে এক রাতেই কেজিপ্রতি ১০০ টাকা দাম কমেছে। আমরা চাই ভারত থেকে কাঁচামরিচ আমদানির এলসি অব্যাহত থাকুক। তাহলে দেশের বাজারে কাঁচামরিচের দাম ১০০ টাকার নিচে নেমে আসবে। এতে আমাদের অনেক সুবিধা হবে।
কথা হয় ওমর আলী নামে এক ভ্যানচালকের সঙ্গে। তিনি বলেন, দেশের বাজারে কাঁচামরিচের দাম ৩০০ টাকা কেজি ছিল। আমরা কোন দেশে বসবাস করছি? নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্বাভাবিক না থাকলে সাধারণ মানুষ কীভাবে বাঁচবে? আমরা চাই সরকার দ্রম্নত এ বিষয়ে জরম্নরি পদক্ষেপ নিক। তাহলে সাধারণ মানুষের অনেক উপকার হবে।
হিলি বাজারের কাঁচামরিচ বিক্রেতা বিপস্নব শেখ বলেন, বর্তমানে দেশের বাজারে কাঁচামরিচের দাম কমেছে। আমরা কেজিপ্রতি ১৫০ থেকে ১৬০ টাকা দরে বিক্রি করছি, যা গতকাল ছিল ২৫০ থেকে ২৬০ টাকা। দাম কমায় ক্রেতার সংখ্যাও বেড়েছে। আমরা কম দামে কিনে কম দামে বিক্রি করছি। তবে ভারত থেকে কাঁচামরিচ আমদানি অব্যাহত থাকলে দেশের বাজারে কেজিপ্রতি ১০০ টাকার নিচেও কাঁচামরিচ পাওয়া যাবে।
উলেস্নখ্য, দীর্ঘ সাড়ে আট মাস বন্ধ থাকার পর গত সোমবার (৩ আগস্ট) থেকে ভারত থেকে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে কাঁচামরিচ আমদানি শুরম্ন হয়েছে। প্রথম দিনে চারটি ট্রাকে প্রায় ৩০ মেট্রিক টন কাঁচামরিচ আমদানি করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত্ম ৬৯ জন আমদানিকারক ২৯ হাজার ৪০০ মেট্রিক টন কাঁচামরিচ আমদানির অনুমতি পেয়েছেন। এসব কাঁচামরিচ প্রতি মেট্রিক টনে ৫০০ মার্কিন ডলার মূল্যে শুল্কায়ন করা হচ্ছে।