হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (হাবিপ্রবি) শিক্ষার্থী পরিচয়ে প্রেম, আর্থিক লেনদেন করতেন দিনাজপুরের গ্লোবাল পলিটেকনিক শিক্ষার্থী শহিদুল ইসলাম। তিনি দীর্ঘদিন যাবৎ হাবিপ্রবির ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২৪ ব্যাচের শিক্ষার্থী পরিচয় দিতেন অভিযুক্ত শিক্ষার্থী।
জানা যায়, তিনি হাবিপ্রবির বিভিন্ন বিভাগের, বিভিন্ন ব্যাচের নারী শিক্ষার্থীদের মেসেজ দিতেন।যোগাযোগ করার চেষ্টা করতেন। শিক্ষার্থীরা এ বিষয়ে কথাবার্তা বলার এক পর্যায়ে জানতে পারে এ নামে কোনো শিক্ষার্থী নেই।পরে তারা ফেইক আইডি খুলে নারী শিক্ষার্থী সেজে অভিযুক্তের সাথে যোগাযোগ করে।যোগাযোগের এক পর্যায়ে রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরের দিকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সে দেখা করতে আসে। পরবর্তীতে শিক্ষার্থীরা তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করে এবং প্রক্টর অফিস সোপর্দ করে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত যুবক তার অপরাধের কথা স্বীকার করে এবং বলে,"তার নাম শহীদুল ইসলাম।তার বাসা হাবিপ্রবি ক্যাম্পাস সংলগ্ন কর্ণাই গ্রামে। ফেইসবুকে সে বাবু আহমেদ নামের ফেইক আইডি চালায় এবং নিজেকে ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের একজন শিক্ষার্থী হিসেবে পরিচয় দেন।সে একাধিক মেয়ে শিক্ষার্থীর সাথে অনলাইনে কথা বলতো এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হিসেবে পরিচয় দিতো।"
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে দায়িত্বরত সহকারী প্রক্টর প্রফেসর ড. আবুল কালাম বলেন,"অভিযোগ আসার পরে আমরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হই।প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করি এবং তার অভিভাবককে তার সম্পর্কে জানাই।বর্তমানে তার বিরুদ্ধে কোনো আইনগত ব্যবস্থা না নিয়ে তাকে মুচলেকা দিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়।তার ব্যবহৃত সকল মোবাইল সীম জব্দ এবং ফেইসবুক আইডিগুলো ডিলিট করা হয়।তিনি আরো জানান, যদি ভবিষ্যতে এমন কাজ পুনরায় করে তাহলে প্রশাসন কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নিবে।" বিগত দিনেও হাবিপ্রবিতে এমন ভুয়া শিক্ষার্থী ধরা পরছিলো।
মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন।
আপনার মন্তব্য লিখুন